1. chayerdesh4@gmail.com : DainikChayerDesh :
  2. neo_ce6fb6289986@neo-research.invalid : neo_ce6fb6289986 :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
📢 সাংবাদিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি “দৈনিক চায়ের দেশ” সারা বাংলাদেশে জরুরি ভিত্তিতে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে। 📝 পদ: রিপোর্টার / সংবাদদাতা 📍 কর্মস্থল: দেশের সকল জেলা ও উপজেলা 📌 যোগ্যতা: সংবাদ সংগ্রহে আগ্রহী দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী মোবাইল/ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষ 📧 আবেদন করুন: chayerdesh4@gmail.com 📞 যোগাযোগ: 01778200361 ⏳ সীমিত সময়ের মধ্যে আবেদন করুন।
সংবাদ শিরোনাম:
মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক মালিক সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হামহাম জলপ্রপাতে আটকে পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার মৌলভীবাজারে বন্যার পানি কমলেও কাটেনি দুর্ভোগ, কুশিয়ারা তীরের ৩০ গ্রাম এখনও ক্ষতিগ্রস্ত সিলেট রেঞ্জের ডিআইজির তত্ত্বাবধানে মৌলভীবাজারে বন্যার্ত মানুষের জন্য বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাহুবলে উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি শ্রীমঙ্গলে ২০৪ বোতল দেশীয় কেরু মদসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক নিজ উদ্যোগে ভাঙ্গা রাস্তা মেরামতে নেমেছেন গ্রামবাসী। মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, বাঁধ ভেঙে প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে কমলগঞ্জের ২৪ গ্রাম প্লাবিত,স্থগিত পরীক্ষা

আমেরিকা নির্বাচন ২০২০: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার চাবিকাঠি কেন ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেটগুলোর হাতে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৬৫ বার ভিউ

আমেরিকায় হোয়াইট হাউসে যাবার দৌড়ে নির্বাচন পদ্ধতি অন্য দেশের তুলনায় ভিন্ন এবং কিছুটা জটিল।

কোন একজন প্রার্থী নাগরিকদের সরাসরি ভোট পেলেই যে তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন – তা নয়।

বরং ইলেকটোরাল কলেজ নামে যুক্তরাষ্ট্রের যে বিশেষ নির্বাচনী ব্যবস্থা আছে – আসলে তার মাধ্যমেই ঠিক হয় কে হবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

তেসরা নভেম্বরের নির্বাচনে প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের যে ভোটগুলো পাবেন, সেটাকে বলা হয় পপুলার ভোট। ইলেকটোরাল কলেজের ভোটকে বলা যায় ‘ইলেকটোরাল ভোট।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক ইলেকটোরাল ভোট আছে।

দুটি ছাড়া প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের নিয়ম হলো – যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি পপুলার ভোট পাবেন, তিনি ওই রাজ্যের সবগুলো ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে যাবেন।

এইভাবে সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ হয়ে যে প্রার্থী ২৭০টি ভোট পাবেন – তিনিই নির্বাচিত হবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

‘নির্বাচনী রণক্ষেত্র’

কারা এই ইলেকটোরাল কলেজ ? এরা হচ্ছেন একদল নির্বাচকমণ্ডলী বা কর্মকর্তা – যারা একেকটি রাজ্যের পপুলার ভোটে প্রতিফলিত রায় অনুযায়ী ভোট দেন।

এটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত এবং রাষ্ট্র ও কেন্দ্রীয় আইনের অধীনে একটি জটিল ব্যবস্থা।

ইলেকটোরাল কলেজে মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮। হোয়াইট হাউজের দৌড়ে বিজয়ী হতে হলে প্রার্থীকে এর মধ্যে ২৭০টি ভোট পেতে হবে।

ফলে প্রার্থীদের কাছে কিছু কিছু অঙ্গরাজ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। যেগুলোকে বলা হয় ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেট বা নির্বাচনী রণক্ষেত্র।

ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি অনুযায়ী যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, সেসব রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোটও বেশি।

ফলে এসব রাজ্য থেকে সর্বাধিক ইলেকটোরাল ভোট জেতার জন্য বিশেষ কিছু কিছু অঙ্গরাজ্যে প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়।

আমেরিকার নির্বাচনী ইতিহাসে দেখা গেছে বেশিরভাগ অঙ্গরাজ্যই নির্দিষ্ট কোন রাজনৈতিক দলের অনুকূলে ভোট দিয়ে থাকে।

প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীরা কিছুটা নিশ্চিত থাকেন যে, তারা প্রথাগতভাবে এইসব রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোটগুলো পাবেন।

আমেরিকান নির্বাচনে রিপাবলিকান দুর্গ বলে পরিচিত এই অঙ্গরাজ্যগুলোকে বলা হয় ‘রেড স্টেট’ বা ‘লাল রাজ্য’ আর ডেমোক্র্যাটদের প্রাধান্য পাওয়া স্টেটগুলোকে বলা হয় ‘ব্লু স্টেট’ বা ‘নীল রাজ্য’।

কিন্তু হাতে গোণা কিছু অঙ্গরাজ্য আছে যে রাজ্যগুলোর ভোট, প্রার্থীদের কারণে যে কোন শিবিরে যেতে পারে।

এগুলোই হল আমেরিকান নির্বাচনের ব্যাটলগ্রাউন্ড বা নির্বাচনী রণক্ষেত্র। এগুলোকেই অনেকে বলে থাকে ‘বেগুনি রাজ্য’।

আর এই অঙ্গরাজ্যগুলোর ভোটই শেষ পর্যন্ত হয়ে দাঁড়ায় জয় পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি। এই রাজ্যগুলোতেই হয় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

এসব রাজ্যেই প্রচারণার বিনিয়োগ ও ব্যয় সবচেয়ে বেশি। এসব রাজ্যেই ঘন ঘন চলে প্রার্থীদের আনাগোণা, তাদের প্রচারণা সমাবেশ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com