1. chayerdesh4@gmail.com : DainikChayerDesh :
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
📢 সাংবাদিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি “দৈনিক চায়ের দেশ” সারা বাংলাদেশে জরুরি ভিত্তিতে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে। 📝 পদ: রিপোর্টার / সংবাদদাতা 📍 কর্মস্থল: দেশের সকল জেলা ও উপজেলা 📌 যোগ্যতা: সংবাদ সংগ্রহে আগ্রহী দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী মোবাইল/ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষ 📧 আবেদন করুন: chayerdesh4@gmail.com 📞 যোগাযোগ: 01778200361 ⏳ সীমিত সময়ের মধ্যে আবেদন করুন।
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীমঙ্গলের শ্রমিক নেতা লুৎফুর রহমানের ওপর হামলার ২ নম্বর আসামি চায়না রিপন গ্রেপ্তার সিলেটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন ড. রেজা কিবরিয়া বাহুবলে কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে মাদ্রাসাগুলোতে সরকারি লবণ বিতরণ শ্রীমঙ্গলে অনূর্ধ্ব-১৯ মাদকবিরোধী ফুটবলে কমলগঞ্জকে হারালো শ্রীমঙ্গল বড়লেখার আকিলা পেল স্কাউটসের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বড়লেখায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাফিজের পদোন্নতি উপলক্ষে সংবর্ধনা শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১৩ ভায়াল রেবিস ভ্যাকসিন হস্তান্তর

বাঁশখালী হত্যার ১৭ বছর: বিচারের অপেক্ষা আর কত?

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২১৫ বার ভিউ

২০১৯ সালের ২৩ জুন উচ্চ আদালত মামলার বিচার ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়ার পর পেরিয়ে গেছে ১৬টি মাস। কিন্তু বিচার শেষ হওয়া তো দূরের কথা অর্ধশতের বেশি সাক্ষীর অর্ধেকের বেশি সাক্ষ্য এখনও নেওয়া হয়নি। এত দিনেও বিচার না পেয়ে নিরাশ পরিবারটির সদস্যরা।
২০০৩ সালের ১৮ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাধনপুর গ্রামের শীলপাড়ায় বাইরে থেকে ঘরে তালা লাগিয়ে গান পাউডার ছড়িয়ে আগুনে পুড়িয়ে নারী-শিশুসহ ১১ জনকে হত্যা করা হয়।
নিহতরা হলেন- তেজেন্দ্র লাল শীল (৭০), তার স্ত্রী বকুল শীল (৬০), ছেলে অনিল শীল (৪০), অনিলের স্ত্রী স্মৃতি শীল (৩২), অনিলের তিন সন্তান রুমি শীল (১২), সোনিয়া শীল (৭) ও চার দিন বয়সী কার্তিক শীল, তেজেন্দ্র শীলের ভাইয়ের মেয়ে বাবুটি শীল (২৫), প্রসাদি শীল (১৭), অ্যানি শীল (৭) এবং কক্সবাজার থেকে বেড়াতে আসা আত্মীয় দেবেন্দ্র শীল (৭২)।
সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পাওয়া তেজেন্দ্র শীলের ছেলে বিমল শীল পরে বাদি হয়ে মামলা করেন। এরপর ১৭ বছর মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বিমল।
বিচার পাওয়া নিয়ে হতাশার কথা জানিয়ে বিমল শীল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলা চালাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি। কোনো সহযোগিতাও পাচ্ছি না। সরকার যদি মামলা পরিচালনার ভার নিত।
“বছর ঘুরলে শুধু পত্র পত্রিকায় লেখালেখি হয়, এটুকুই। কেউ আর খবরও নেয় না। মা-বাবা হারালাম। আর অবশিষ্ট কিছুই নেই।”
শুরু থেকে এই মামলার বিচারের দাবিতে সরব বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “২০০১-২০০৬ এই সময়ে দেশে যে কয়টি লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছিল তার মধ্যে বাঁশখালীর এই হত্যাকাণ্ড একটি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো ঘটনার বিচার হয়নি।
“অনতিবিলম্বে বাঁশখালী ১১ হত্যা মামলার বিচার জাতি দেখতে চায়। ইতিমধ্যে ভুক্তভোগীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তারা জীবদ্দশায় বিচার পাবে না বলে আশঙ্কা করছেন।”
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, সাক্ষী হাজির করতে না পারায় এবং প্রায় আট মাস ধরে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের পদ খালি থাকায় বিচার কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com