1. chayerdesh4@gmail.com : DainikChayerDesh :
  2. neo_ce6fb6289986@neo-research.invalid : neo_ce6fb6289986 :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
📢 সাংবাদিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি “দৈনিক চায়ের দেশ” সারা বাংলাদেশে জরুরি ভিত্তিতে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে। 📝 পদ: রিপোর্টার / সংবাদদাতা 📍 কর্মস্থল: দেশের সকল জেলা ও উপজেলা 📌 যোগ্যতা: সংবাদ সংগ্রহে আগ্রহী দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী মোবাইল/ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষ 📧 আবেদন করুন: chayerdesh4@gmail.com 📞 যোগাযোগ: 01778200361 ⏳ সীমিত সময়ের মধ্যে আবেদন করুন।
সংবাদ শিরোনাম:
মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক মালিক সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হামহাম জলপ্রপাতে আটকে পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার মৌলভীবাজারে বন্যার পানি কমলেও কাটেনি দুর্ভোগ, কুশিয়ারা তীরের ৩০ গ্রাম এখনও ক্ষতিগ্রস্ত সিলেট রেঞ্জের ডিআইজির তত্ত্বাবধানে মৌলভীবাজারে বন্যার্ত মানুষের জন্য বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাহুবলে উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি শ্রীমঙ্গলে ২০৪ বোতল দেশীয় কেরু মদসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক নিজ উদ্যোগে ভাঙ্গা রাস্তা মেরামতে নেমেছেন গ্রামবাসী। মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, বাঁধ ভেঙে প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে কমলগঞ্জের ২৪ গ্রাম প্লাবিত,স্থগিত পরীক্ষা

মৌলভীবাজারে বন্যার পানি কমলেও কাটেনি দুর্ভোগ, কুশিয়ারা তীরের ৩০ গ্রাম এখনও ক্ষতিগ্রস্ত

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ২০৫ বার ভিউ

মৌলভীবাজারে বন্যার পানি কমলেও কাটেনি দুর্ভোগ, কুশিয়ারা তীরের ৩০ গ্রাম এখনও ক্ষতিগ্রস্ত

লাগাতার বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। বিশেষ করে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী প্রায় ৩০টি গ্রাম এখনও জলাবদ্ধতা ও বন্যার ক্ষতি নিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বন্যায় সদর, রাজনগর, কুলাউড়া ও কমলগঞ্জ উপজেলার প্রায় ১৭টি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। একসময় ২৬ হাজার ৫৪৪ জন মানুষ এবং ৭ হাজার ৩০৮টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে মনু, ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বিপদসীমার নিচে নেমে এলেও কুশিয়ারা নদীর পানি ধীরগতিতে কমছে।

রাজনগর ও সদর উপজেলার কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী সুনামপুর, শাহাপুরসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের অনেক এলাকায় এখনও পানি রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কুশিয়ারা নদীতে বন্যা দেখা দিলে দীর্ঘ সময় ধরে পানি আটকে থাকে। তাদের দাবি, নদী খনন, টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং নিচু এলাকাগুলো ভরাট করা হলে দীর্ঘমেয়াদে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, সীমিত ত্রাণসামগ্রী সাময়িক সহায়তা দিলেও তারা বন্যার স্থায়ী সমাধান চান। এছাড়া কুশিয়ারা নদী তীরবর্তী অনেক পরিবার এখনো পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা পাননি বলেও অভিযোগ করেছেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৩টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১,৭৫০ বস্তা শুকনো খাবার ও মোট ১১০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, কুশিয়ারা নদী তীরের অনেক ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাম এখনও ত্রাণের আওতার বাইরে রয়েছে।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিল অলীদ জানান, কুশিয়ারা নদীর তীরে বাঁধ নির্মাণ ও নদী খননের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com