
শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ সভা,মাদক ও চুরি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ২নং ভুনবীর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পশ্চিম আলিসারকুল এলাকায় সাম্প্রতিক একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,পূর্ব আলিসারকুল এলাকায় সংঘটিত একটি চুরির ঘটনায় মামুন মিয়া (পিতা: মতলিব মিয়া) নামে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করেন। এলাকাবাসীর দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি চুরির ঘটনার কথা স্বীকার করেন এবং আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেন, যার ভিডিও ফুটেজও রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হলে তার আত্মীয় ভুট্টু মিয়া এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যস্থতায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, তিনি এলাকার আরও কয়েকটি চুরির ঘটনার সঙ্গেও জড়িত।
এদিকে, ঘটনার দুই দিন পর আটক হওয়া মামুন মিয়া শ্রীমঙ্গল থানায় ফজল মিয়াসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়,পাওনা টাকা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
এই অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করে এবং মাদক ও চুরি প্রতিরোধের দাবিতে গত ৩ আগস্ট (সোমবার) আলিসারকুল গ্রামের বাসিন্দা ও সচেতন মহলের উদ্যোগে ,সাতগাওঁ চমোহনায় একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জলিল মাহমুদ, সাবেক মেম্বার মো. জালাল মিয়া,নোওসাদ মিয়া, শ্রীমঙ্গল পৌর যুবদলের যুগ্মআহ্বায়ক আব্দুল কাদির জিলানী, শ্রমিক পরিবহন নেতা দুলাল মিয়া, যুবদল নেতা শাহিন মিয়া,মুরব্বি রমজান আলী, ফজল মিয়া,কবির আহমেদ,সালাম মিয়া রাবার ডামের সদস্য কালাম মিয়া,কাওছার আহমেদ,জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা সমাজে চুরি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে মাদকাসক্তিকে দায়ী করেন এবং মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা ফজল মিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি তারা বলেন, চুরি বা অপরাধে জড়িত কোনো ব্যক্তির পক্ষ নেওয়া হলে এলাকাবাসী তারও প্রতিবাদ করবে।
Leave a Reply